মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

কী সেবা কীভাবে পাবেন

০১) আবর্তক ঋন ঃ সমাবায় সমিতির মাধ্যমে সদস্যপদ লাভ করে তা সমিতি কর্তৃক রেজুলেশন করে চাহিদা পত্র প্রথমে ঋন উপকমিটি কর্তৃক প্রাথমিক অনুমোদন করে উপজেলঅ ঋন কমিটির নিকট দাখিল করবেন। তারপর তা উপজেলা ঋন কমিটি কর্তৃক পরীক্ষা নিরীক্ষার পর অনুমোদন করে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য জেলা দপ্তরে পাঠাবেন। জেলা দপ্তরের উপ-পরিচালক মহোদয় কর্তৃক তার নিয়মনীতি পরিচালনা করে উপজেলা ঋন কমিটির সুপরিবেশের ভিত্তিতে চূড়ান্ত অনুমোদন বিতরনের ব্যবস্থা করে থাকে।

 

0২) সদাবিক ঋনঃ সমন্বিত দারিদ্র বিমোচন কর্মসুচী (সদাবিক)ত্রকটি অনানুষ্ঠানিক কর্মসূচী। এই কর্মসূচী দলগুলোকে বিভিন্ন আয় বর্ধক কর্মকান্ডে ঋন দিয়ে থাকি।দল পর্যায়ে ঋনের চাহিদা প্রথমে ঋন উপকমিটি কর্তৃক আনুমোদনের পর উপজেলা ঋন কমিটির নিকট দাখিল করা হয়। তারপর তা উপজেলা ঋন কমিটির কর্তৃক চূড়ান্ত অনুমোদনের পর দলের সদস্যদের নিকট বিতরণের ব্যবস্থা গ্যহণ করে থাকি।

 

০৩)পল্লী প্রগতি প্রকল্প : বাগেরহাট সদর উপজেলাধীন কাড়াপাড়া ইউনিয়নে পল্লী প্রগতি প্রকল্পের কার্যক্রম চালু আছে। প্রকল্পটি কাযৃক্রম তদারকি করার জন্য উপজেলা ঋন কমিটি হিসেবে একটি কমিটি আছে। কমিটির সভাপতি হসেবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সদস্য হিসেবে থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, ইউনিয়ন পরিষদের চেযারম্যান এবং সদস্য সচিব হিসেবে উপজেলা পল্লি উন্নয়ন অফিসার দায়িত্ব পালন করে থাকেন।উক্ত কমিটির অনুমোদন সাপেক্ষে সদস্য/সদস্যদের মধ্যে ঋন বিতরনের ব্যবস্থা হয়ে খাকে।

 

০৪) অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের সন্তানদের কর্মসংস্থানের জন্য প্রশিক্ষনত্তোর ঋন প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়ে থাকে।এ ক্ষেত্রে উপজেলা নির্বাহী অফিসার যথাযথ থানা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সদস্য, সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সদস্য এবং উপজেলা পল্লি উন্নয়ন অফিসার সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে ঋন অনুমোদন করে তাদের স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য বিতরণ করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়ে থাকে।

 

০৫)গুচ্ছগ্রাম: সরকার কর্তৃক অবহেলিত ও নিপীড়িত জনমানুষের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য খাস জমিতে আবাসন তৈরী করে তাদের মধ্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সভাপতিত্তে ও উপজেলা পল্লি উন্নয়ন অফিসার সদস্য সচিব এর দায়িত্ব দিয়ে ইউনিয়নের চেয়ারম্যানকে সদস্য করে ঋন কমিটি গঠন করে তাদের মাধ্যমে অনুমোদন করে ঋন বিতরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়ে থাকে।

 

০৬) মাননীয়প্রধানমস্ত্রীরঅগ্রাধীকারমূলক“একটিবাড়িএকটিখামার” কচুয়াউপজেলায়০৪টিইউনিয়নগজালিয়া, ধোপাখালী, রারিপারা ও বাধাল ইউনিয়নেরপ্রতিইউনিয়নের০৯(নয়)টিওয়ার্ডে০৯(নয়)টিগ্রামেপ্রতিগ্রামে৬০(ষাট)টিপরিবারকেনিয়েমোটউপজেলার২,১৬০(দুইহাজারএকশতষাট) পরিবারপ্রত্যেকটিপ্রতিমাসে২০০টাকানিজেসঞ্চয়জমারভিত্তিতেমাইক্রোসেভিংসআওতাভুক্তকরেসরকারকর্তৃকউৎসাহ ভাতা হিসেবে সমপরিমান অর্থ প্রদান করে পূজি গঠন প্রতি বর্ষে প্রতি সমিতিতে সুদ মুক্ত ঋন হিসেবে ১,৫০,০০০ টাকা প্রদান করে বর্ষে ৪,৫০,০০০ টাকা তহবিরে সংস্থান করে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

 

০৭।দরিদ্রমহিলাদেরজন্যসমন্বিতপল্লীকর্মসংস্তানসহায়তাপ্রকল্পঃ

বাংলাদেশেদারিদ্ররঘনত্বহচ্ছে২%।যেকারনেপল্লীউন্নয়নতথাআর্থসামাজিকউন্নতিরপথে, দারিদ্র্যএকটিপ্রধানবাধা।মহিলাদেরবিশেষতঃএক্ষেত্রেরয়েছেপাশ্চাতপদওদুর্দাশাগৃস্থজীবনযাপনপুরুষেরতুলনায়মহিলারাঅনেকপিছিয়েপড়াঅবস্থায়বিদ্যমানএরাঅপুষ্টিআথসামাজিকদ্বায়িত্বহীনতাসহঅনেকবিপথেরশিকারঅ।

 

এঅবস্থায়বিগত১৯৯৭সালেবর্তমানপ্রধানমন্ত্রীযশোরসফরকালেঐঅঞ্চলেরমহিলাদেরউন্নয়নকর্মসংস্থানসৃষ্টিএবংক্ষমতায়নেরলক্ষ্যেএকটিবিশেষউদ্দ্যেগেরঘোষনাদেনযারফলশুতিতেদমআকশীর্ষকপ্রকল্পটিদৃষ্টপটেআসে।প্রকল্পটিবৃহত্তরযশোরের৪টিজেলায়২১টিউপজেলায়১০কোটিটাকাব্যয়েসফলতারসহিতবাস্তবায়িতহয়।পরর্বতীতেআইএমইডিসমিক্ষাপ্রতিবেদনেপ্রকল্পটিসারাবাংলাদেশব্যাপিবাস্তবায়নেরউদ্যোগগ্রহনকরে।বৃস্তিতপ্রেক্ষাপটেপ্রকল্পটিবৃহপরিসরেবাস্তবায়নেরলক্ষ্যেনতুনআঙ্গিকেদরিদ্রমহিলাদেরজন্যসমন্বিতপল্লীকর্মসংস্থানসহায়তাপ্রকল্পবাস্তবায়নেরপদক্ষেপগ্রহনকরাহয়।বর্তমানেএপ্রকল্পটি৫৯টিউপজেলায়বাস্তবায়িতহচ্ছে।

 

বর্তমানেএপ্রকল্পটিবাগেরহাটজেলারকচুয়াউপজেলানির্বাহীকর্মকর্তারনেত্রীত্বেবাস্তবায়িতহচ্ছে।কচুয়া উপজেলার৩টিইউনিয়নের(মঘিয়া,গোপালপুর,কচুয়া) ১৯টিগ্রামেচলমানআছে।ইহারসুফলভোগীরসংখ্যা৪৩৭জনশেয়ারজমারপরিমান৬২০০০/-টাকা, সঞ্চয়জামারপরিমান ১৪২০০০/-টাকা।এইপ্রকল্পেরমাধ্যমে২৪০জনমহিলাসদস্যাকেপ্রশিক্ষনপ্রদানকরাহয়েছেএবংএকার্যক্রমভবিষ্যতেআরওসম্প্রসারিতহবে।


Share with :

Facebook Twitter